Best Reseller Hosting Service in BD
মোট পোস্ট সংখ্যা: 3  »  মোট কমেন্টস: 3  
Facebook
Google Plus
Twitter
Linkedin

জেনে নিন অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের সুরক্ষায় ৮ গুরুত্বপূর্ণ টিপস

অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের নিরাপত্তার বিষয়টিও নিয়ে ভাবিত অনেকেই। বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়্যার, ভাইরাস কিংবা অন্যান্যক্ষতিকর উপাদানের কারণে অ্যান্ড্রয়েডের নিরাপত্তা অনেকটা হুমকির মুখে। নিজের অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন কিংবা ট্যাবলেট পিসির সুরক্ষার জন্য ৮টি টিপস তুলে ধরা হলো এই লেখায়। স্ক্রিন লক ব্যবহার করা অ্যান্ড্রয়েডের সুরক্ষায় প্রথম যে কাজটি করতে হবে, সেটা হলো স্ক্রিন লক রাখা। বিভিন্ন ধরনের প্যাটার্ন, পিন বা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে এই স্ক্রিন লকের কাজ করা যায়। অ্যান্ড্রয়েডের সিকিউরিটি সেটিংস থেকে এটি অ্যাকটিভেট করাsecurityandroid যাবে। এনক্রিপ্ট রাখা সকল অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসকেই এনক্রিপ্ট রাখার সুযোগ রয়েছে। এটি চালু রাখতে অ্যান্ড্রয়েডের যেকোনো তথ্যকে ডিক্রিপ্ট করতে গেলে নতুন করে পিন বা পাসওয়ার্ড প্রদান করতে হয়। ফলে অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটি কোনো কারণে অন্য কারও হাতে পড়লেও তথ্যগুলো সুরক্ষিত থাকবে। সিকিউরিটি সেটিংস থেকে এই ফিচারটি চালু করা যাবে। ডিভাইস ম্যানেজার চালু রাখা অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ম্যানেজারের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটি ফোন হারিয়ে গেলেও জিপিএস ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে ফোনের অবস্থান গুগল ম্যাপে প্রদর্শন করে। প্রয়োজনে ফোনটির রিংটোন ফুল ভলিউমে ৫ মিনিট ধরে বাজিয়ে রাখতে পারে এবং ফোনের সকল তথ্য মুছেও ফেলতে পারে। সিকিউরিটি সেটিংসের অধীনে ডিভাইস অ্যাডমিনিস্ট্রেটর সেটিংয়ে গিয়ে সক্রিয় করতে হবে একে। এসডি কার্ডে সংবেদনশীল তথ্য না রাখা অ্যান্ড্রয়েড ফোন বা ট্যাবলেট পিসিকে রাখা সংবেদনশীল তথ্যকে কখনই এসডি কার্ডে সংরক্ষণ করবেন না। কারণ এসডি কার্ড সহজেই খুলে নিয়ে তা থেকে তথ্য উদ্ধার করা যায়। তাই গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য সংরক্ষণ করুন বিল্ট-ইন স্টোরেজে। বিশ্বস্ত সূত্র ছাড়া অ্যাপস নয় অ্যান্ড্রয়েডের মূল কার্যকারিতাই হলো এর বৈচিত্র্যময় সব অ্যাপস। কিন্তু যেকোনো অ্যাপস্টোর থেকে অ্যাপস ইন্সটল করাটা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। নির্ভরযোগ্য কোনো অ্যাপস্টোর ছাড়া অ্যাপস ইন্সটল করবেন না। কারণ থার্ড-পার্টি বিভিন্ন অ্যাপসের মাধ্যমেই ম্যালওয়্যার কিংবা স্পাইওয়্যার ছড়ানোর কাজটি সম্পন্ন হয়। অ্যাপসকেও লক রাখুন অ্যান্ড্রয়েডের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এতে ব্যবহূত অ্যাপসগুলোকেও লক রাখুন। বেশিরভাগ অ্যাপসেই সেটি চালু করার জন্য আলাদা করে পিন বা পাসওয়ার্ড ব্যবহারের সুবিধা থাকে। সেটি চালু করে নিন। সফটওয়্যার আপডেট রাখুন বেশিরভাগ সফটওয়্যারের সর্বশেষ সংস্করণগুলোই মূলত নিরাপত্তার দিক থেকে এগিয়ে থাকে। গুগল’র নিজস্ব সফটওয়্যারগুলোর আপডেটগুলো এদিক থেকে সবসময়ই এগিয়ে থাকে। তাই অপারেটিং সিস্টেম থেকে শুরু করে সব ধরনের অ্যাপস আপডেট রাখুন। প্রয়োজনীয় সব সিকিউরিটি প্যাচগুলোও ডাউনলোড করে হালনাগাদ থাকুন। ডিভাইস সেটিংস থেকে ‘অ্যাবাউট ডিভাইস’ মেন্যুতে পাওয়া যাবে সিস্টেম আপডেট অপশন।






eHostBD Hosting

মন্তব্য করুন