Best Reseller Hosting Service in BD
আমি একজন ছাত্র.।আমি সবাইকে প্রযুক্তি সম্পর্কে কিছু তথ্য দিতে চাই।
মোট পোস্ট সংখ্যা: 7  »  মোট কমেন্টস: 1  
Facebook
Google Plus
Twitter
Linkedin

অ্যান্ড্রয়েড ভার্সনে ইতিহাস A টু M (1.0 to 6.0) দেখে নিন আর জেনে নিন অ্যান্ড্রয়েডের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ।

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম
আসসালামু আলাইকুম আমি রাব্বি । দশম শ্রেনীর ছাত্র । এটি আমার ১ম টিউন । ভুল হলে ক্ষমা প্রার্থী ।
S.S.C এর টেস্ট পরিক্ষার কারনে আনেক দিন অ্যানিটেক টিউনে আসাও হয়না টিউন করাও হয় না । অনেকদিন পর টিউন করতে বসেছি । আজকের টিউনটাতে আমি অ্যান্ড্রয়েড ইতিহাসের ভার্সনের পরিচিতি A to M অর্থাৎ Android 1.0-Angel Cake থেকে Android 6.0 Marshmallow পর্যত তুলে ধরেছি। বাজে কথা না বারিয়ে কাজের কথায় আসা যাক। Let’s Start

অ্যান্ড্রয়েড বর্তমান সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম। এখন পর্যন্ত অ্যান্ড্রয়েডের সর্বমোট ২১ টা ভার্সন আছে।
অ্যান্ড্রয়েড ইনকর্পোরেট(Android Inc.) প্রতিষ্ঠা হয়েছিল পালো আল্টো, ক্যালিফোর্নিয়ায় ২০০৩ সালের অক্টোবরে। এটার প্রতিষ্ঠাতা এন্ডি রুবিন (ডেন্জারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা), রিচ মাইনার (ওয়াইল্ডফায়ার কমউনিকেশনস, ইনকর্পোরেটেডের সহ প্রতিষ্ঠাতা), নিক সিয়ারস (টি-মোবাইলের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট), নিক সিয়ারস (টি-মোবাইলের প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট)এবং ক্রিস হোয়াইট (ওয়েবটিভি’র ডিজাইন এবং ইন্টারফেস প্রধান)।
গুগল অ্যান্ড্রয়েড ইনকর্পোরেটেড(Android Inc.)প্রতিষ্ঠানকে ১৭ আগষ্ট ২০০৫ সালে কিনে নেয়;তার পর এই Android Inc. পরিবর্তন হয়ে পরিনীত হয় Google Inc.(বর্তমান এর নাম Alphabet Inc.) প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কর্মচারীগণকে তারা বহাল রাখে (এন্ডি রুবিন, রিচ মাইনার এবং ক্রিস হোয়াইট) ।

সর্বপ্রথম অ্যান্ড্রয়েড বেটা পরীক্ষামূলকভাবে আসে নভেম্বর ২০০৭। তবে প্রথম অ্যান্ড্রয়েড ১.০ কমারশিয়ালি রিলিজ হয় সেপ্টেম্বর ২০০৮। অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপ হয় গুগলের দ্বারা। OHA (Open Handset Alliance) এবং MIT ও এটাতে অবদান রাখে

e-HostBD Hosting Service

অ্যান্ড্রয়েড লেখা হয় C(Core), C++ এবং Java (UI) দ্বারা। অ্যান্ড্রয়েডের অ্যাপস থাকে গুগল প্লে স্টোরে।
আসুন এবার দেখি অ্যান্ড্রয়েডের কিছু ভার্সনের গল্পঃ একটা মজার ব্যপার হল গুগল অ্যান্ড্রয়ের প্রতিটি মুল ভার্সন এর নাম বিভিন্ন খবারের এবং Alphabet অর্থাৎ A B C D E……. দিয়ে শুরু ।

Android 1.0-Angel Cake: ২৩ শে সেপ্টেম্বর ২০০৮ এটা রিলিজ হয় এবং এটা গুগলের মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম আলোড়ন নিয়ে আসে। এই ভার্সনের নামটা এক জাতীয় কেক এর নাম থেকে এসেছে । লোগোটি নিচের মত ।
1.0

Android 1.1-Battenberg: ৯ই ফেব্রুয়ারি ২০০৯ এটা রিলিজ হয়। এটার পারফরমেন্স আগের তুলনায় অনেক ভালো ছিল। এই ভার্সনের নামটা এক ধরনের কেক জাতীয় বিস্কুট এর নাম থেকে এসেছে । লোগো দেখতে নিচের মত ।
1.1

Android 1.5-CupCake: ১৮ই এপ্রিল ২০০৯ এটা রিলিজ হয় এবং এটার মাধ্যমে ভিডিও, ছবি, ব্লুটুথ, কীবোর্ড ইত্যাদি প্রয়োজনীয় সেবার আওতায় আসে। এই ভার্সনের নাম শুনেই বুঝতে পারচ্ছেন এটা এক জাতীয় কেক যেটা কাপের মধ্যে থাকে সেখান থেকে এসেছে । লোগো দেখতে নিচের মত ।

1.2

Andoid 1.6-Donut: ১৫ ই সেপ্টেম্বর ২০০৯ এটা রিলিজ হয়। এই ভার্সনে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আনে Google Maps। এই ভার্সনের নামটা এক জাতীয় কেক এর নাম থেকে এসেছে । লোগো দেখতে নিচের মত ।
1.3

Android 2.0/2.1-Éclair: ২৬ অক্টবার ২০০৯ এটা রিলিজ হয়। UI এবং ব্রাউজার যুক্ত হয়। ক্যামেরা, ফ্লাস ইত্যাদি আপডেট করা হয়। এই ভার্সনের নামটা এক জাতীয় বার্গার কেকের নাম থেকে এসেছে । লোগো দেখতে নিচের মত ।
1.4

Android 2.2 Foryo: ২০ ই মে ২০১০ এটা রিলিজ হয়। USB, Adobe Flash, WiFi-Hotspot ইত্যাদি সাপোর্টিভ হয় এই ভার্সনে। এই ভার্সনের নামটা এক জাতীয় ক্রিম কেকের নাম থেকে এসেছে । লোগো দেখতে নিচের মত ।
1.5

Android 2.3 Gingerbread: ৬ই ডিসেম্বর ২০১০ এটা রিলিজ হয়। এই ভার্সনে অ্যান্ড্রয়েড অনেক জনপ্রিয়তা পায়। Virtual & QWERTY রিডিজাইনড করা হয়। এই ভার্সনের নামটা এক জাতীয় ক্রিম মাখানো পাউরুটি এর নাম থেকে এসেছে । লোগো দেখতে নিচের মত ।
1.6

Android 3.0/3.1/3.2-Honey Comb: ২ই ফেব্রুয়ারি ২০১১ এটা রিলিজ হয় এবং এটা Tablet এর জন্য উপযুক্ত ভার্সনে আসে। এই ভার্সনের নামটা এক জাতীয় সুস্যাদু চকলেটের নাম থেকে এসেছে । লোগো দেখতে নিচের মত ।
1.7

Androd 4.0/4.0.2-Ice Cream Sandwich: ৩১ ই অক্টবর ২০১১ এটা রিলিজ হয়। Flash Player, WiFi, Mobile Data Activity ইত্যাদি বিভিন্ন পরিবর্তন আসে এই ভার্সনে। এই ভার্সনের নামটা এক জাতীয় সুস্যাদু আইসক্রিমের নাম থেকে এসেছে । লোগো দেখতে নিচের মত ।
1.8

Android 4.4.1/4.4.2-Ice Cream Sandwish: ৫/৯ ডিসেম্বর ২০১১ এটা রিলিজ হয়। ক্রোম ব্রাউজার, Bluetooth message access profile সহ আরও অনেক নতুন ফিচার আসে এই ভার্সনে। এটা একটা বিশেষ ভার্সন ।
1.8

Android 4.2 -Jelly Bean: ১৩ ই নভেম্বর ২০১৩ এটা রিলিজ হয়। Lock Screen, Group messaging, Bluetooth audio video Remote control profile ইত্যাদি নতুনভাবে যোগ হয়। এই ভার্সনের নামটা এক জাতীয় ক্যান্ডি যা দেখতে সিমের বীজের মত। লোগো দেখতে নিচের মত ।
1.9

Android 4.4 KitKat: এটা ৩১ অক্টোবর ২০১৩ রিলিজ হয়।এই ভার্সন অনেক নতুন ফিচার সমৃদ্ধ। এই ভার্সনের নামটা এক জাতীয় চকলেটের নাম থেকে এসেছে । অ্যান্ড্রয়েড ৪.৪ এ ইন্টারফেসে বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে, তবে ইউজার ইন্টারফেসের চাইতে পারফরমেন্সকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছে গুগল। অ্যান্ড্রয়েড বিভাগের প্রধানের ভাষ্য অনুযায়ী, অপারেটিং সিস্টেমটির অ্যাপ গুলোকে আরো উন্নত করা হয়েছে যাতে তারা খুব কম রিসোর্স ব্যবহার করে কাজ করতে পারে। উদাহারণ স্বরুপ তিনি বলেন গুগলের নিজস্ব ওয়েব ব্রাউজার ক্রোমের কথা যেটি এখন ১৬% কম রিসোর্স ব্যবহার করে কাজ করতে পারবে। এছাড়া অ্যান্ড্রয়েড কিটক্যাট সমগ্র অপারেটিং সিস্টেমকে করেছে আরো হালকা তাই পুরোনো যেসব ডিভাইসে কম র্যাম, বিশেষ করে র্যাম ৫১২ মেগাবাইট, তাদের জন্য এইঅপারেটিং সিস্টেমটি নিতান্তই ভাল ।
অ্যান্ড্রয়েড ৪.৪ এ ব্যবহৃত হয়েছে ক্রোমিয়াম ইঞ্জিন, তাই থার্ড পার্টি অ্যাপ গুলো এখন আরো দ্রূততার সাথে তাদের কাজ করতে পারবে। এজন্য নভেম্বরের মাঝামাঝি গুগল নতুন API রিলিজ করছে ।
অ্যান্ড্রয়েড ৪.৪ কিটক্যাটের সবচেয়ে চোখে পড়ার মত পরিবর্তন স্ট্যাটাস বার। স্ট্যাটাস বারটি এখন পুরোপুরি স্বচ্ছ যা অ্যান্ড্রয়েড ৪.৪ কে করেছে আরো আকর্ষণীয়। লঞ্চারকে আরো সিমপ্লিফাইড করার জন্য উইজেট ট্যাবটি বাদ দেয়া হয়েছে, তবে এখনো হোমস্ক্রিনে লংপ্রেসের মাধ্যমে উইজেট অ্যাড করা সম্ভব। এছাড়া IOS 7 এর মত থার্ডপার্টি অ্যাপগুলো এখন নেভিগেশনবার ও স্ট্যাটাসবারের ব্যাকগ্রাউন্ডটিকেও ব্যবহার করতে পারবে। লোগো দেখতে নিচের মত ।
2.0

Android 5.0 Lollipop: এটা ২৫শে জুন ২০১৪ সালে রিলিজ হয় । এই ভার্সনের নাম শুনেই বুঝেছেন এটা ললিপপ এর নাম থেকে এসেছে । এটার ফিটারটা কিটকাটের মতই । অ্যান্ড্রয়েড ৫.০ এ ইন্টারফেসে বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে, তবে ইউজার ইন্টারফেসের চাইতে পারফরমেন্সকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছে গুগল। এটার ভার্সন ৫.০ থেকে ৫.১.১ পর্যন্ত হবে লোগো দেখতে নিচের মত ।
2.1

Android 6.0 Marshmallow: এটা ২৮শে মে ২০১৫ সালে রিলিজ হয় । এখনও এটা মার্কেটে Ableable না । এটার বড় সুবিধা হচ্ছে এটা ফোনের ব্যাটারির ক্ষমতা বাড়াবে। লোগো দেখতে নিচের মত ।
images

অ্যান্ড্রয়েড এর রিলিজের পর থেকে ডায়ালারটি তেমন কোন উন্নয়নের ছোয়া পায়নি। তবে এবার গুগল এটির দিকে নজর দিয়েছে। আপনার কোন স্থানীয় দোকানের ফোন নাম্বার দরকার? ডায়ালের এ যেয়ে দোকানের নামটি লিখুন, নাম্বারটি খুজে বের করার কাজটি করবে গুগল।
কোন অপরিচিত কল এসেছে? গুগল স্বংক্রীয় ভাবে সার্চ করে ওই নাম্বারটির মালিকের তথ্য আপনার সামনে তুলে ধরবে।
কন্ট্যাক্ট ও এখন অনেক স্মার্ট। আপনি যাদের সাথে বেশি যোগাযোগ করেন তাদের কে উপরের দিকে রেখে ক্রমান্বয়ে নিজে থেকেই কন্ট্যাক্ট লিস্ট আপডেট করে নেবে গুগল।
উৎস: উইকিপিডিয়া, Android ওয়েবসাইট
পরার জন্য ধন্যবাদ । ভাল লাগলে লাইক দিবেন । ভাল থাকেন সবাই । খোদা হাফেজ ।সবাই ভাল থাকেন এবং আমার জন্য দোয়া করবেন যাতে এর পর থেকে ভাল টিউন উপহার দিতে পারি । আর হ্যা কোন সমস্যা হলে কমেন্ট করবেন ।
আমার টুইটার
আমার ব্লগ
আর যারা কপি করেন, তাদের বলছি, এটা আপনাকে Writer বানাবে না। কেউ একটা টিউন কয়েক ঘণ্টা নিয়ে কষ্ট করে লিখে যদি দেখে যে তার লিখাটা অন্য কোথাও অন্য কেউ নিজের নামে চালিয়ে দিচ্ছে তখন তার খারাপ অনুভূতি হওয়াটাই স্বাভাবিক এতে তার লিখার আগ্রহ ও হারিয়ে যেতে পারে। তাই কপি করবেন না, আর কপি যদি করতেই হয় তাহলে অন্তত মূল লেখকের নাম Source সহ দিয়ে দিবেন, তাও কিছু সান্ত্বনা পাওয়া যা






eHostBD Hosting

মন্তব্য

মন্তব্য করুন