Best Reseller Hosting Service in BD
আমি একজন অদৃশ্য মানব। কোন কিছু ভালো লাগলে সবার সাথে শেয়ার করি। এটাই আমার শখ। ভালো থাকবেন আর আমার জন্য দোআ করবেন।
মোট পোস্ট সংখ্যা: 105  »  মোট কমেন্টস: 20  
Facebook
Google Plus
Twitter
Linkedin

বলিউডের আলোচিত কয়েকজন তরুণ তারকার রুপালি পর্দায় আসার আগে ও পরের চেহেরা দেখুন

সোনম কাপুর, সোনাক্ষী সিনহা, অর্জুন কাপুর, পরিণীতি চোপড়া, আলিয়া ভাট-এ সময়ের বলিউডের আলোচিত এই পাঁচ অভিনেতা-অভিনেত্রীর মধ্যে একটা বিষয়ে খুব মিল। রুপালি পর্দায় আসার আগে সবাই বেশ স্থূল ছিলেন। কারো শরীর এতটাই স্থূল ছিল যে তখনকার ছবি দেখলে তাঁদের চেনাই যায় না। মোটা থেকে স্লিম হওয়া বলিউডের পাঁচ তারকার গল্প সম্পর্কে জেনে নিন আজকে।

সোনাক্ষী সিনহা
অর্জুনের মতো সোনাক্ষীর ওজন কমানোর গুরুও সালমান। সোনাক্ষী ছিলেন ফ্যাশন ডিজাইনার। বিভিন্ন শোতে ঘুরতে হতো নানা জায়গায়। হাতের কাছে যা পেতেন খেতেন। বাদ সাধলেন সালমান। ২০১০ সালে ‘দাবাং’-এ অভিনয় শুরুর আগেই শুরু হলো নিজেকে বদলানোর মিশন। সালমানের চাপে বদলালেন খাদ্যাভ্যাস, সঙ্গে চলল ব্যায়াম। ফলাফল ৬০ কেজিতে নেমে এলো ৯০ কেজি ওজন। ‘আসলে অভিনয় ছাড়াও সুস্থ জীবন যাপনের জন্য ওজন কমানোটা দরকার ছিল। কিন্তু যে পেশায় ছিলাম সেটা সম্ভব হচ্ছিল না। সেদিক থেকে সিনেমায় এসে আমার সবচেয়ে বড় লাভ হয়েছে ওজন কমানো।’ বলছেন সোনাক্ষী।

 

e-HostBD Hosting Service

সোনাক্ষী সিনহা

 

পরিণীতি চোপড়া
সোনমের মতোই ওজন কমাতে কঠিন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে পরিণীতি চোপড়াকে। ‘খেতে পছন্দ করতাম। তাই ওজন কমানো ছিল আমার মুখ সেলাই করে দেওয়ার মতোই।’ বলছেন পরিণীতি। এ প্রক্রিয়ার শুরু হয়েছিল ‘ইশকজাদে’র আগে। তখন তিনি যশরাজ ফিল্মসের জনসংযোগ বিভাগে চাকরি করেন। অন্য অভিনেত্রীদের মতো পরিণীতি নিজের ওজন কমানোর বিষয়টি কখনোই গোপন করেননি। বরং বলেছেন, ছবির প্রয়োজন না হলে এত ওজন তিনি কখনোই কমাতেন না। ”বিদ্যা বালান, হুমা কুরেইশিরা বেশি ওজন নিয়েই দারুণ কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু ‘ইশকজাদে’র চরিত্রের সঙ্গে আমার ফিগার কিছুতেই যেত না। তা ছাড়া ভারী শরীরে সব পোশাকও পরা যায় না।” বলছেন পরিণীতি। পরিণীতির এখন ওজন ৫৮ কেজি, জিন্সের কোমর ৩৮ থেকে ৩০-এ চলে এসেছে। খাদ্য তালিকায় যোগ হয়েছে লাল আটার রুটি, ডিমের সাদা অংশ, মুরগি আর সবজি।

পরিণীতি চোপড়া

 

আলিয়া ভাট
বাবা নির্মাতা মহেশ ভাট, মা অভিনেত্রী সোনি রাজদান। তাঁদের মেয়ে আলিয়া ভাট তাই রুপালি পর্দার স্বপ্নই দেখতেন। ১৯ বছর বয়সে সে স্বপ্ন সত্যি হওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াল অতিরিক্ত ওজন। ৬৮ কেজি ওজনের একজনকে কিছুতেই ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’-এ নিতে রাজি নন করণ জোহর। তাই পরের তিন মাস চলল ক্রাশ ডায়েট আর জিম। ১৬ কেজি ওজন কমিয়ে আলিয়ার অভিষেক হলো বড় পর্দায়। করণের প্রতি কৃতজ্ঞতার শেষ নেই মহেশ ভাটের, ‘চেয়েছিলাম ওর অভিষেক আমার হাত ধরেই হোক। অনেক দিন ধরেই ওকে ওজন কমাতে বলেছি। কিন্তু কাজ হয়নি। করণকে অনেক ধন্যবাদ ও কঠিন কাজটা করেছে।’

আলিয়া ভাট

 

সোনম কাপুর
২০০৭ সালে সঞ্জয় লীলা বানসালি যখন ‘সাওয়ারিয়া’র জন্য সোনম কাপুরকে পছন্দ করেন তখন তাঁর ওজন ৮৬ কেজি। অফার পেয়ে যতটা খুশি ততটাই দমে গেলেন ওজন কমানোর কথা শুনে। ‘সঞ্জয় স্যার যখন ওজন কমাতে বললেন তখন খুব মন খারাপ হয়েছিল। বন্ধুরা ইচ্ছামতো চকোলেট আর আইসক্রিম খাবে আর আমাকে চুপচাপ বসে থাকতে হবে-এটা ভেবেই খারাপ লাগছিল।’ বলেন সোনম। ছবি চূড়ান্ত হওয়ার পর শুরু হলো নতুন মিশন। মা সুনিতা তাঁকে নিয়ে গেলেন ডাক্তারের কাছে। শুটিং শুরুর পর দেখা গেল পাক্কা ৩৬ কেজি ওজন কমিয়েছেন সোনম। তিনি নিজে অবশ্য বলেন, ডাক্তার আর ট্রেইনারের পরামর্শ মেনে মাত্র ছয় মাসেই বাড়তি মেদ ঝরিয়েছেন। কিন্তু অনেকের মতে, মিডিয়ার চোখ এড়াতে সোনমের ওজন কমানোর মিশন পুরোটাই হয়েছে সিঙ্গাপুরে। সময় লেগেছে প্রায় দুই বছর।

সোনম কাপুর

 

অর্জুন কাপুর
ফিল্মি পরিবারেই জন্ম । বাবা বনি কাপুর, চাচা অনিল কাপুর। তবুও অভিনয় করবেন এমন ভাবনা ছিল না। ‘কাল হো না হো’, ‘সালাম-ই-ইশক’-এ ছিলেন সহকারী পরিচালক। কদিন বাদেই পরিচালক হবেন এমনটাই পরিকল্পনা। ফলে নিজের ১০৪ কেজি ওজন নিয়েও নির্ভার। পরিচালকের ফিটনেসে কী আসে-যায়! স্থূলদেহী অর্জুনের মধ্যে অভিনয় প্রতিভা আবিষ্কারের কৃতিত্ব সালমান খানের। ২০০৯ সালের ঘটনা। সালমান ঘোষণা দিলেন, অর্জুনের ভেতর থেকে একজন সুদর্শন যুবককে বের করে আনবেন। পরের দুই বছর জিমে অর্জুনকে নিজের সঙ্গী করে নিলেন সালমান। ‘আসলে ওজন নিয়ে কখনোই ভাবিনি। অভিনয় নিয়েও আগ্রহ ছিল না। সালমান ভাই আমাকে জোর করে জিমে নিয়ে যান।’ বলছেন অর্জুন। এরপর ২০১২ সালে ‘ইশকজাদে’ মুক্তির আগে যখন একটি ম্যাগাজিন অর্জুনের নিউ লুক প্রকাশ করে তখন কাছের বন্ধুরাও তাঁকে চিনতে পারলেন না। ‘দুই বছরে ৫৩ কেজি ওজন কমিয়েছি। সে সময় জিম, অভিনয় কর্মশালা নিয়ে এত ব্যস্ত ছিলাম অনেকের সঙ্গে দেখাও হয়নি। হঠাৎই এমন ছবি দেখে সবাই অবাক হয়েছিল।’ বলছেন অর্জুন। কিভাবে সম্ভব হলো? জিমের সঙ্গে কড়া ডায়েটও করেছেন অর্জুন। সকালের নাশতায় চারটে ডিমের সাদা অংশ, একটা কুসুম আর টোস্ট। দুপুরে গ্রিল চিকেন, কয়েক রকমের সবজি আর রুটি। আর রাতে শুধু মুরগি বা মাছ। এখন অভিনয়ের সঙ্গে নিজের ‘নতুন জীবন’ ভালোই উপভোগ করছেন অর্জুন, ‘ওজন কমানোর পর বুঝতে পারছি কতটা বোঝা শরীরে নিয়ে ঘুরতাম। এখন ওজন কমানোর প্রসঙ্গ উঠলে সবাই আমার উদাহরণ দেয়।’

অর্জুন কাপুর






eHostBD Hosting

মন্তব্য করুন