Best Reseller Hosting Service in BD
মোট পোস্ট সংখ্যা: 54  »  মোট কমেন্টস: 8  
Facebook
Google Plus
Twitter
Linkedin

বিষাদ কাটাতে ওষুধ নাকি মনোচিকিৎসা

রোগী যেন গবেষণাগারের গিনিপিগ। চিকিৎসক কখনো ওষুধ দেন, কখনো আবার পরামর্শ। অথচ কারো কারো একটাতেই কাজ চলে। কিন্তু কার কোনটা দরকার সেটা বোঝার উপায় কী? এ নিয়ে এতদিনের সংশয় বোধহয় দূর হতে চলেছে।

Healthtips6565-anytech
যুক্তরাষ্ট্রের ইমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ৬৭ জন বিষাদগ্রস্তকে নিয়ে একটি গবেষণা চালিয়েছেন। ৬৭ জনের মধ্যে ৪০ জনের মস্তিষ্ক স্ক্যান করে তারা দেখেছেন, তাদের জন্য ওষুধ লাগবে, নাকি মনোচিকিৎসক অথবা মনোস্তত্ত্ববিদের পরামর্শই কার্যকর হবে – সেটা আগেই বলে দেয়া সম্ভব। আসলে ইনসুলার কর্টেক্স বা ইনসুলাই বলে দেয় কার জন্য কোন চিকিৎসাটা কার্যকর।
কানের ঠিক ওপরে থাকে ইনসুলা। গবেষকরা দেখেছেন, যাদের ইনসুলায় গ্লুকোজ বেশি, তাদের কোনো ওষুধ না খেয়ে, শুধু মনশ্চিকিৎসা নিলেই চলে। তবে ইনসুলা বেশি সক্রিয় নয় বলে গ্লুকোজ যাদের কম থাকে, তাদের ওষুধ খাওয়া ছাড়া গতি নেই।
গবেষকরা অবশ্য দাবি করছেন না যে, এক্ষুনি চূড়ান্ত কথা বলার সময় এসে গেছে। তারাও মনে করেন, বিষয়টি আরো খতিয়ে দেখার প্রয়োজন আছে।
তবে শেষ পর্যন্ত যদি তাদের অনুমান সত্যি হয়, তাহলে যে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের উপকার হবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। জীবনে আনন্দের মতো বিষাদ কার জীবনে না আসে! বিষাদের মাত্রা বেশি হলে নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন অনেকে। সে অবস্থায় কেউ কেউ আত্মহননের পথও বেছে নেন। সেই পর্যায়ে যাবার আগেই দরকার সুচিকিৎসা।
জার্মানির বন ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের মনোচিকিৎসক ভল্ফগাং মায়ার জানালেন, বিষাদগ্রস্থ রোগীদের সবচেয়ে বড় সমস্যার কথা। তার মতে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই রোগী কোনো মনোচিকিৎসক অথবা মনোস্তাত্ত্বিকের কাছে গেলে তিনি মনোচিকিৎসাই চালিয়ে যান। ওষুধের দরকার আছে কিনা তা খুব কমই ভেবে দেখেন।
তিনি বলেন, আবার সাধারণ ডাক্তারদের কাছে গেলে তারা শুধু ওষুধ দিয়েই ক্ষান্ত, রোগীর মানসিকতায় পরিবর্তন আনার বিকল্প রাস্তাটিতে রোগীকে তারা পাঠান না।
যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের অ্যাটলান্টার এক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের উদ্ভাবনটি যদি শেষ পর্যন্ত সত্যি প্রমাণিত হয়, তাহলে বিষাদগ্রস্থরা এই বিপদ থেকে রেহাই তো পাবেনই!

e-HostBD Hosting Service





eHostBD Hosting

মন্তব্য করুন