Best Reseller Hosting Service in BD
আমি আতিকুর রহমান। পেশায় একজন B.Sc Engineer. আমি খুব বেশি কিছু জানি না তবে ব্লগ লেখা আমার শখ। তাই যখন সুযোগ পাই তখন লিখতে বসি। যদি আমার একটি পোস্ট ও আপনাদের একটু হলেও হেল্প করে তাহলে আমার চেষ্টা সার্থক হবে। সবাই ভাল থাকবেন।
মোট পোস্ট সংখ্যা: 371  »  মোট কমেন্টস: 5  
Facebook
Google Plus
Twitter
Linkedin

নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ কমানোর ৫টি সহজ ধাপ

Tips-on-How-to-Get-Rid-of-Garlic-Breathঅনেকেরই নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ হয় এবং এই বিব্রতকর পরিস্থিতি কি করে এড়াবেন তা নিয়ে দিশাহারা হয়ে যান অনেকেই। কিন্তু একটু সচেতন থাকলেই কিছু সহজ নিয়ম মেনে এই পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব। বেশিরভাগ সময়ে নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ সৃষ্টির কারণ হল মুখের ভেতরে থাকা ব্যাকটেরিয়াদের তৈরি করা গ্যাস। এই গ্যাসের অনেক গুলোতে থাকে সালফার, যে কারণে গন্ধ বেশ বাজে হয়। এই দুর্গন্ধ দূর করার সবচাইতে সহজ উপায় হল নিয়মিত ব্রাশ করা, ফ্লস ব্যবহার করা এবং জিহ্বা পরিষ্কার করা। এ ছাড়াও কয়েকটি কার্যকর নিয়ম মেনে চলতে হবে আপনাকে।

১) ডেন্টিস্ট দেখান নিয়মিতঃ
বেশিদিন ধরে মুখে দুর্গন্ধ রয়েছে এবং কিছুতেই তা দূর করতে পারছেন না, এমন পরিস্থিতিতে অবশ্যই ডেন্টিস্ট দেখাতে হবে। কিছু কিছু ব্যাকটেরিয়া আছে যেগুলো মুখের ভেতরে স্থায়ী প্লাক তৈরি করে এবং তা আপনি নিজে হাজার চেষ্টা করলেও ওঠাতে পারবেন না। এগুলো থেকে বাজে গন্ধ তৈরি হতে পারে এবং ডেন্টিস্টের সহায়তা নিয়ে এগুলো থেকে মুক্ত হতে হবে আপনার।

২) আপনার নাকের যত্ন নিনঃ
ভাবছেন দুর্গন্ধ হয় মুখে, এর সাথে নাকের যত্নের কি সম্পর্ক? নাক এবং সাইনাসের বিভিন্ন ইনফেকশন বা ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতির কারণেও মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে। নাক পরিষ্কার রাখলে এই সমস্যা কমে যাবে। কিন্তু যদি না কমে তবে নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে আপনার।

e-HostBD Hosting Service

৩) টনসিলে পাথরঃ
টনসিল চিন্তা করলেই মনে হয় গলার ভেতরে দুইটা মাংসের বল। কিন্তু এরা মোটেও বলের মতো মসৃণ গলাকার নয়, বরং করল্লা বা কাঁকরোলের মতো কাঁটা-কাঁটা। এগুলোর ভাঁজে ভাঁজে লুকিয়ে থাকে অজস্র ব্যাকটেরিয়া। মাঝে মাঝে এসব ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা অতিরিক্ত বেড়ে যায়। তখন এসব তৈরি করে টনসিলের পাথর। Waterpik নামের একটা যন্ত্র দিয়ে এই পাথর সরিয়ে ফেলা যায়। কিন্তু টনসিল বড় হলে এবং বার বার পাথর হতে থাকলে টনসিল অপারেশন করে সরিয়ে ফেলাই বুদ্ধিমানের কাজ। এই পাথরের উপস্থিতির কারণে প্রচুর দুর্গন্ধময় গ্যাসের সৃষ্টি হয় মুখগহ্বরে।

৪) খাদ্য নির্বাচন করুন ভেবে চিন্তেঃ
কাঁচা পেঁয়াজ-রসুন জাতীয় খাবারে মুখে গন্ধ হয়। কিন্তু এই খাবারের অবশিষ্টাংশ মুখে জমে থাকার কারণে শুধু নয়। রসুনের থেকে কিছু রাসায়নিক পদার্থ আমাদের রক্তে চলে যায় এবং আমাদের ফুসফুসে এসে নিঃশ্বাসে খারাপ গন্ধ তৈরি করে। তার মানে এসব খাবার খাওয়ার পর দাঁত ব্রাশ করলেও খুব একটা লাভ হয় না। মিন্ট অথবা মাউথওয়াশ ব্যবহার করুন অথবা এসব খাওয়া কমিয়ে দিন।

৫) পাকস্থলীর যত্ন নিনঃ
ওপরে বর্ণিত কোনও উপায়েই যদি আপনার নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ না কমে তবে বুঝতে হবে আপনার পাকস্থলিতে কোনও সমস্যা আছে। এসিড রিফ্লাক্সের কারণে অনেক সময় খাদ্যবস্তু এবং পাকস্থলীর অতিরিক্ত এসিড আমাদের গলার কাছে চলে আসে এবং এ থেকে নিঃশ্বাসে গন্ধ হয়। এ ছাড়াও পাকস্থলীর অন্যান্য সমস্যার কারণে এটা হতে পারে। এমন অবস্থায় ডাক্তার দেখানোটাই ভালো বুদ্ধি।






eHostBD Hosting

মন্তব্য করুন